জন্মঃ ফেব্রুয়ারি ২, ১৯৫৩
হামিদনগর (পূর্বতন খোরদা খালিশপুর), মহেশপুর, ঝিনাইদহ (তদানিন্তন যশোর)
মৃত্যুঃ অক্টোবর ২৮, ১৯৭১
মৃত্যুর স্থানঃ ধলই, শ্রীমঙ্গল, সিলেটমুক্তিযুদ্ধের সেক্টরঃ ৪নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন (সৈনিক নাম্বার ৩৯৪৩০১৪) যেভাবে শহীদ হনঃ
হামিদনগর (পূর্বতন খোরদা খালিশপুর), মহেশপুর, ঝিনাইদহ (তদানিন্তন যশোর)
মৃত্যুঃ অক্টোবর ২৮, ১৯৭১
মৃত্যুর স্থানঃ ধলই, শ্রীমঙ্গল, সিলেটমুক্তিযুদ্ধের সেক্টরঃ ৪নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন (সৈনিক নাম্বার ৩৯৪৩০১৪) যেভাবে শহীদ হনঃ
- ১৯৭১ সালের অক্টোবর মাসে হামিদুর রহমান ১ম ইস্টবেঙ্গলের সি কোম্পানির হয়ে ধলই সীমান্তের ফাঁড়ি দখল করার অভিযানে অংশ নেন।
- অক্টোবরের ২৮ তারিখে ১ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট ও পাকিস্তান বাহিনীর ৩০এ ফ্রন্টিয়ার রেজিমেন্টের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ বাধে। ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ১২৫ জন মুক্তিযোদ্ধা যুদ্ধে অংশ নেয়। মুক্তিবাহিনী পাকিস্তান বাহিনীর মেশিনগান পোস্টে গ্রেনেড হামলার সিদ্ধান্ত নেয়। গ্রেনেড ছোড়ার দায়িত্ব দেয়া হয় হামিদুর রহমানকে। তিনি পাহাড়ি খালের মধ্য দিয়ে বুকে হেঁটে গ্রেনেড নিয়ে আক্রমণ শুরু করেন। দুটি গ্রেনেড সফলভাবে মেশিনগান পোস্টে আঘাত হানে, কিন্তু তার পরপরই হামিদুর রহমান গুলিবিদ্ধ অবস্থাতেই মেশিনগান পোস্টে গিয়ে সেখানকার দুই জন পাকিস্তানী সৈন্যের সাথে হাতাহাতি যুদ্ধ শুরু করে মেশিনগান পোস্টকে অকার্যকর করে দিতে সক্ষম হন। এই সুযোগে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের মুক্তিযোদ্ধারা বিপুল উদ্যমে এগিয়ে যান, এবং শত্রু পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে পরাস্ত করে সীমানা ফাঁড়িটি দখল করতে সমর্থ হন। ফাঁড়ি দখলের পরে মুক্তিযোদ্ধারা শহীদ হামিদুর রহমানের লাশ উদ্ধার করে।
- মাত্র ১৮ বছর বয়সে শহীদ হন তিনি ।
- সর্বকনিষ্ঠ বীরশ্রেষ্ঠ
- একমাত্র মুক্তিযোদ্ধা যার দেহাবশেষ বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয় ২০০৭ সালে ।