BRICS সমিতি ২০০৯ সালে রাশিয়া, ভারত, চীন, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ব্রাজিলের মধ্যে গঠিত হয়, যেখানে অর্থনৈতিক ক্ষমতা, জনসংখ্যা ও ভৌগোলিক প্রভাবের ভিত্তিতে একটি বহুপাক্ষিক প্ল্যাটফর্ম তৈরি হয়। সমিতিটি বছরে একবার শীর্ষ সম্মেলন (BRICS Summit) আয়োজন করে, যেখানে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, আর্থিক সহযোগিতা এবং বিকল্প বৈশ্বিক শাসন কাঠামোর বিষয়গুলো আলোচনা করা হয়।
২০২৩ সালে BRICS নতুন সদস্য যোগ করে, যার মধ্যে ইন্দোনেশিয়া, সাউদার্ন আফ্রিকা ও ইরান অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, ফলে সমিতির মোট অর্থনৈতিক আয়তন প্রায় ৪ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এই সম্প্রসারণ গ্লোবাল মূল্য নির্ধারণে, প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের (যেমন IMF, বিশ্বব্যাংক) সংস্কার এবং বৈশ্বিক মুদ্রা ব্যবস্থার বিকল্প হিসেবে নতুন মুদ্রা ব্যবহারের সম্ভাবনা বাড়িয়ে তুলেছে।
বাংলাদেশের জন্য BRICS-এর সঙ্গে কৌশলগত অর্থনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলা গুরুত্বপূর্ণ। সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (FDI), প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং বাণিজ্যিক পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধি এই সমিতির মাধ্যমে সম্ভব। BCS পরীক্ষায় BRICS-এর গঠন, সম্প্রসারণ এবং বাংলাদেশে এর সুযোগ-সুবিধা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়শই উঠে আসে, তাই প্রাসঙ্গিক তথ্য ও উদাহরণ জেনে প্রস্তুতি নেওয়া উচিৎ।