Return code: 0 Output: আলোক বিচ্ছুরণ | EduVai
VARIANT_MARKER_field
কোন মাধ্যমে প্রতিসরণের ফলে যৌগিক আলো থেকে মূল বর্ণের আলো পাওয়ার পদ্ধতিকে আলোর বিচ্ছুরণ বলে। ১৬৬৬ সালে স্যার আইজ্যাক নিউটন পরীক্ষার সাহায্যে আলোর বিচ্ছুরণ আবিষ্কার করেন। প্রিজমে সাদা আলো পতিত হলে তা সাতটি বর্ণে বিশ্লিষ্ট হয়, এটাই আলোর বিচ্ছুরন। সাতটি বর্ণের এ বিশ্লেষণকে বিজ্ঞানী নিউটন বর্ণালী আখ্যা দেন। বিশ্লিষ্ট সাতটি বর্ণ হল- বেগুনি, নীল, আসমানি, সবুজ, হলূদ, কমলা ও লাল। এদেরকে সংক্ষেপে‘বেনীআসহকলা’বা ঠওইএণঙজ বলা হয়। বর্ণালীর প্রান্তদ্বয়ের বর্ণ হল বেগুনী ও লাল। বর্ণালীতে বেগুনি আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম এবং বিচ্যুতি বা বিক্ষেপণ সবচেয়ে বেশি। আবার লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি এবং বিক্ষেপণ সবচেয়ে কম। হলুদ রঙের আলোর বিচ্যুতি লাল ও বেগুনি আলোর মাঝামাঝি বলে এর বিচ্যুতিকে গড় বিচ্যুুতি বলে এবং হলুদ রশ্মিকে মধ্যরশ্মি বলে।