Return code: 0 Output: এক্স-রে | EduVai
VARIANT_MARKER_field
এক্স-রে হল তাড়িত চৌম্বক বিকিরণ যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য ১০-৮ মি. থেকে  ১০-১১ মি.  এটি গ্যাসের মাধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় গ্যাসকে আয়নিত করে। এটি উচ্চ ভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন। বিজ্ঞানী রন্টজেন ১৮৯৫ সালে এটি আবিষ্কার করেন। দ্রুতগতিসম্পন্ন ইলেকট্রন কোন ধাতুতে আঘাত করলে এক প্রকার উচ্চ ভেদনক্ষমতাসম্পন্ন রম্মি বিকিরণ হয়। এর  তরঙ্গদৈর্ঘ্য খুব কম। বিকিরিত এর রশ্মি এক্স-রে বা রঞ্জনরশ্মি বলে।
ব্যবহার : চিকিৎসা বিজ্ঞানে স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে দাগ বা ফাটল এবং ভেঙ্গে যাওয়া হাড় সনাক্ত করতে, আলসার ও ক্যানসার চিকিৎসায়; শিল্পক্ষেত্রে ধাতব ঝালাইয়ে দোষ-ত্রুটিপূর্ণ ওয়েল্ডিং এবং ধাতব গর্ত নির্ণয়ে ; গোয়েন্দা বিভাগে কাঠের বাক্সে বা চামড়ার থলিতে লুকিয়ে রাখা বিস্ফোরক খুঁজে বের করতে এটি ব্যবহার করা হয়। মণিকারগন এর সাহায্যে আসল ও নকল গহনা সনাক্ত করে থাকেন। হীরার ভিতর দিয়ে রঞ্জনরশ্মি যেতে পারে না বলে আসল হীরা চেনার জন্য এটি ব্যবহার করা হয়।