VARIANT_MARKER_field
১৬৮৬ খিস্টাব্দে বিখ্যাত বিজ্ঞানী আইজ্যাক নিউটন তাঁর অমর গ্রন্থ ‘ফিলোসোফিয়া ন্যাচারলিস ম্যাথমেটিকা’ তে গতির তিনটি সূত্র প্রদান করেন। এ তিনটিই নিউটনের গতি সূত্র নামে পরিচিত।
** প্রথম সূত্রঃ বাইরে থেকে বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু চিরকাল স্থির থাকবে আর গতিশীল বস্তু চিরকাল সমবেগে গতিশীল থাকবে। একে জড়তার সূত্রও বলা হয়।
**দ্বিতীয় সূত্রঃ বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার এর উপর প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং বল যেদিকে ক্রিয়া করে ভরবেগের পরিবর্তনও সেদিকে হয়।
**তৃতিয় সূত্রঃ প্রত্যেকটি ক্রিয়ারই একটি সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে।
নিউটনের গতির প্রথম সূত্র থেকে জড়তা ও বলের গুনগত সংজ্ঞা পাওয়া যায়। আর দ্বিতিয় সূত্র হতে প্রথম সূত্র প্রতিপাদন করা যায়।
বন্দুক থেকে গুলি ছোড়া হলে পেছনের দিকে বন্দুক চালনাকারীকে ধাক্কা দেবে। এট নিউটনের তৃতিয় সুত্রানুযায়ী হয়।
এক মাঝি নৌকা চালানোর সময় নিউটনের তৃতিয় সূত্র প্রয়োগ করে। মহাকাশযান উৎক্ষিপ্ত হয়ে নিউটনের তৃতিয় সূত্রের নীতিতে।
** প্রথম সূত্রঃ বাইরে থেকে বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু চিরকাল স্থির থাকবে আর গতিশীল বস্তু চিরকাল সমবেগে গতিশীল থাকবে। একে জড়তার সূত্রও বলা হয়।
**দ্বিতীয় সূত্রঃ বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার এর উপর প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং বল যেদিকে ক্রিয়া করে ভরবেগের পরিবর্তনও সেদিকে হয়।
**তৃতিয় সূত্রঃ প্রত্যেকটি ক্রিয়ারই একটি সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে।
নিউটনের গতির প্রথম সূত্র থেকে জড়তা ও বলের গুনগত সংজ্ঞা পাওয়া যায়। আর দ্বিতিয় সূত্র হতে প্রথম সূত্র প্রতিপাদন করা যায়।
বন্দুক থেকে গুলি ছোড়া হলে পেছনের দিকে বন্দুক চালনাকারীকে ধাক্কা দেবে। এট নিউটনের তৃতিয় সুত্রানুযায়ী হয়।
এক মাঝি নৌকা চালানোর সময় নিউটনের তৃতিয় সূত্র প্রয়োগ করে। মহাকাশযান উৎক্ষিপ্ত হয়ে নিউটনের তৃতিয় সূত্রের নীতিতে।