স্মৃতি শক্তি মানসিক দক্ষতার একটি মূল ভিত্তি। এটি সঠিক তথ্য সংরক্ষণ ও দ্রুত পুনরুদ্ধার করার ক্ষমতা। বুঝতে হবে, স্মৃতি তিন ধাপে কাজ করে: সংগ্রহ (Encoding), সংরক্ষণ (Storage) এবং পুনরুদ্ধার (Retrieval)। বুঝতে পারলে তথ্য সংগ্রহের সময় সেগুলোকে সংক্ষিপ্তসার বা মনে রাখার উপায় (Mnemonic Devices) ব্যবহার করা যায়। উদাহরণস্বরূপ, সংখ্যা বা তালিকা মনে রাখতে অক্সফোর্ড কৌশল ব্যবহার করা যায়, যেখানে প্রতিটি সংখ্যাকে একটি শব্দ বা ছবির সাথে যুক্ত করা হয়।
স্মৃতিবৃদ্ধির আরেকটি কার্যকর পদ্ধতি হল প্রাক্টিস টেস্টিং। এটি বুঝতে সাহায্য করে যে কোন তথ্য কতটা মজুদ আছে। নিয়মিত প্রাক্টিস টেস্টিং করার মাধ্যমে স্মৃতির স্থায়িত্ব বাড়ে। এছাড়া স্পেসড রিপিটিশন সিস্টেম (যেমন আনকোডি বা স্মার্ট ফ্ল্যাশকার্ড) ব্যবহার করে পুনরাবৃত্তি সময়কে অপ্টিমাইজ করা যায়।
স্মৃতির জন্য শারীরিক স্বাস্থ্য ও মানসিক অবস্থাও গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত ব্যায়াম, যথেষ্ট ঘুম ও স্বাস্থ্যকর খাদ্য স্মৃতিশক্তিকে উন্নত করে। বুঝতে হবে, মানসিক চাপ বা ঘুমের অভাব স্মৃতিকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে।
BCS পরীক্ষায় স্মৃতির প্রশ্ন প্রায়ই আসে, বিশেষ করে ইতিহাস, ভূগোল, বা সাধারণ জ্ঞান বিভাগে। সঠিক কৌশল প্রয়োগ করে এই বিভাগে ভালো স্কোর করা সম্ভব।