ভূপৃষ্ঠের সব জায়গা সমান নয়। এ কারণে ভূগর্ভের বায়ুর চাপ ভূত্বকের সকল স্থানে এক রকম হয় না। কোন স্থানে চাপ খুব বেশি হলে সেই জায়গায় গর্ত বা ফাটলের সৃষ্টি হয়। ফলে এই গর্ত বা ফাটলের মধ্য দিয়ে ভূ-গর্ভস্থ বিভিন্ন রকম পদার্থ নির্গত হয়। আর ভূত্বকের দূর্বল অংশের যে ফাটলের মধ্য দিয়ে ভূগর্ভস্থ ধূম,গ্যাস, গলিত শিলা, ধূলি, ভস্ম, বিবিধ তরল ও কঠিন ধাতব পদার্থ নির্গত হয়, একে আগ্নেয়গিরি বলে। যেমন- জাপানের ফুজিয়াম, ইতালির ভিসুভিয়াস ইত্যাদি।
ভূপৃষ্ঠের কোন অল্প পরিসর অঞ্চল হঠাৎ উত্তপ্ত হয়ে উঠলে স্থানীয় বায়ু উষ্ণ, হালকা এবং সম্প্রসারিত হয়ে উপরে ওঠে এবং সেখানে নিশ্চাপ কেন্দ্রের সৃষ্টি হয়।কিন্তু এর চারিদিকে তখন বায়ুর উচ্চচাপ অবস্থা বিরাজ করে। পরবর্তীতে চাপের সমতা রক্ষার্থে চতুর্দিকের শীতল ও উচ্চচাপ বিশিষ্ট এলাকা হতে শীতল এবং ভারি বায়ু প্রবল বেগে কুণ্ডলাকারে ঘুরতে ঘুরতে নিশ্চাপ কেন্দ্রে প্রবেশ করে। নিশ্চাপ কেন্দ্রে প্রবেশ করে এই বায়ু উত্তপ্ত বায়ুর সাথে মিশে উষ্ণ ও হালকা হয়ে ঘুরতে ঘুরতে উপরে উঠতে থাকে বা যে কোন দিকে প্রবাহিত হতে শুরু করে। এরুপ বায়ুই ঘূর্ণিঝড় বা ঘূর্ণিবাত নামে পরিচিত।