আলো হল বৈদ্যুতিক-চৌম্বকীয় তরঙ্গের একটি রূপ, যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য ৪০০ nm থেকে ৭০০ nm পর্যন্ত দৃশ্যমান রঙের সীমা গঠন করে। সূর্যালোক প্রিজমের মাধ্যমে বিচ্ছিন্ন হলে লাল, কমলা, হলুদ, সবুজ, নীল, ইন্ডিগো এবং বেগুনি রঙে বিভক্ত হয়, যা রঙের বর্ণালীর ভিত্তি।
রঙের তত্ত্বে দুইটি প্রধান পদ্ধতি রয়েছে: রঙ মিশ্রণ (Additive) এবং রঙ শোষণ (Subtractive)। টেলিভিশন ও কম্পিউটারের স্ক্রিনে রেড, গ্রিন, ব্লু (RGB) আলোকে মিশিয়ে সাদা আলো তৈরি করা হয়, আর প্রিন্টিং ও রঙিন পৃষ্ঠে সায়ান, ম্যাজেন্টা, হলুদ (CMY) রঙের শোষণ ব্যবহার করা হয়।
বিএসএস পরীক্ষায় আলো ও রঙের মৌলিক বৈশিষ্ট্য, রঙের মডেল এবং রঙের তত্ত্বের প্রয়োগ সম্পর্কে প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই তরঙ্গদৈর্ঘ্য, ফ্রিকোয়েন্সি, রঙের ত্রিকোণ এবং রঙ মিশ্রণ পদ্ধতি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা প্রয়োজন।