গ্রিনহাউস প্রভাব হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে উপস্থিত গ্রিনহাউস গ্যাসসমূহ (যেমন: কার্বন ডাইঅক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড) সূর্যের আলো থেকে আগত তাপকে ধরে রাখে এবং পৃথিবীকে উষ্ণ করে। এটি প্রাকৃতিক একটি প্রক্রিয়া হলেও মানবসৃষ্ট কর্মকাণ্ডের ফলে এই প্রভাব অতিরিক্ত মাত্রায় বৃদ্ধি পাচ্ছে। জীবাশ্ম জ্বালানির অত্যধিক ব্যবহার, বন উজাড় এবং শিল্পকারখানার দূষণ গ্রিনহাউস গ্যাসের পরিমাণ বাড়িয়ে দিচ্ছে।
গ্রিনহাউস প্রভাব বৃদ্ধির ফলে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন দেখা দিচ্ছে, যা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রধান কারণ। এর ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বৃদ্ধি, কৃষি উৎপাদন হ্রাস এবং জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি হচ্ছে। বাংলাদেশের মতো সমুদ্র উপকূলবর্তী দেশে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাব আরও মারাত্মক হতে পারে। গ্রিনহাউস প্রভাব নিয়ন্ত্রণে কার্বন নিঃসরণ কমানো, নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং বন সংরক্ষণের মতো পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।