ক্লাউড কম্পিউটিং হল ইন্টারনেটের মাধ্যমে শেয়ার করা কম্পিউটিং রিসোর্স, যেমন সার্ভার, স্টোরেজ, অ্যাপ্লিকেশন ও সেবা, যেগুলো অন-ডিমান্ডে অ্যাক্সেস করা যায়। এতে ব্যবহারকারীকে নিজস্ব হার্ডওয়্যার কেনা ও রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজন হয় না, ফলে খরচ ও সময় উভয়ই সাশ্রয় হয়।
সার্ভিস মডেল হিসেবে তিনটি প্রধান ধরণ রয়েছে: IaaS (Infrastructure as a Service), PaaS (Platform as a Service), এবং SaaS (Software as a Service)। IaaS-এ ভার্চুয়াল মেশিন ও স্টোরেজ সরবরাহ করা হয়, PaaS-এ ডেভেলপমেন্ট প্ল্যাটফর্ম ও টুলস, আর SaaS-এ সম্পূর্ণ সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন ক্লাউডে হোস্ট করা হয়।
ডিপ্লয়মেন্ট মডেলগুলোও গুরুত্বপূর্ণ: পাবলিক ক্লাউড, প্রাইভেট ক্লাউড, হাইব্রিড ক্লাউড ও মাল্টি-টেন্যান্ট ক্লাউড। পাবলিক ক্লাউডে রিসোর্সগুলো শেয়ার্ড, প্রাইভেট ক্লাউডে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট সংস্থা ব্যবহার করে, হাইব্রিড ক্লাউডে উভয়ের মিশ্রণ এবং মাল্টি-টেন্যান্ট ক্লাউডে একাধিক গ্রাহক একই ইনফ্রাস্ট্রাকচার শেয়ার করে।