পলিমার রসায়ন বাংলাদেশের বাণিজ্য ও শিল্প ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। প্লাস্টিক হলো পলিমারের একটি সাধারণ উদাহরণ, যা থার্মোপ্লাস্টিক ও থার্মোসেটিং প্লাস্টিকে বিভক্ত। থার্মোপ্লাস্টিক প্লাস্টিক পুনরায় গরম করলে চাপ দিলে পুনরায় আকার পরিবর্তন করা যায়, যেমন পলিথাইলিন। অন্যদিকে থার্মোসেটিং প্লাস্টিক একবার গরম করলে স্থায়ীভাবে আকার ধরে রাখে, যেমন ফেনোলিক রেজিন।
প্লাস্টিকের ব্যবহার বাংলাদেশে বিভিন্ন শিল্পে দেখা যায়, যেমন প্যাকেজিং, ইলেক্ট্রনিক্স, নির্মাণ ও স্বাস্থ্যসেবা। তবে এর পরিবেশগত প্রভাবের কারণে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গুরুত্বপূর্ণ। পলিমার রসায়ন সম্পর্কে জ্ঞান বাংলাদেশের বেসরকারি ও সরকারি চাকরির পরীক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ।