রাসায়নিক বন্ধন দুই প্রকার: আয়নিক বন্ধন ও সমযোজী বন্ধন। আয়নিক বন্ধনে ধাতু ও অধাতুর মধ্যে ইলেকট্রন স্থানান্তর ঘটে, ফলে বিপরীত চার্জযুক্ত আয়নের মধ্যে স্থির বিদ্যুৎ আকর্ষণের মাধ্যমে বন্ধন গঠিত হয়। উদাহরণ: NaCl (সোডিয়াম ক্লোরাইড)। অন্যদিকে, সমযোজী বন্ধনে দুই বা ততোধিক অধাতু পরমাণু নিজেদের ইলেকট্রন ভাগাভাগি করে যৌগ গঠন করে, যেমন: H₂O (পানি)।
আয়নিক যৌগ সাধারণত উচ্চ গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক বিশিষ্ট হয় কারণ এদের মধ্যে শক্তিশালী স্থির বিদ্যুৎ আকর্ষণ থাকে। অন্যদিকে, সমযোজী যৌগের গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক তুলনামূলকভাবে কম। BCS পরীক্ষায় এই পার্থক্য বিশ্লেষণ করা প্রায়ই দেখা যায়।